মহিউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

মহিউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

নিউজ ডেস্ক: মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, সাবেক সচিব, কূটনীতিক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট মহিউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (২০ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো এক শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় ইউরোপের পাকিস্তান দূতাবাসগুলোতে কর্মরত বাঙালি কূটনীতিকদের মধ্যে মহিউদ্দিন আহমেদই প্রথম ব্যক্তি যিনি পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নেন। ১৯৭১ সালে তিনি লন্ডনের পাকিস্তান হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিবের পদ ছেড়ে দিয়ে যুক্তরাজ্যে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সার্বক্ষণিক কাজ করেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান জাতি সবসময় শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

উল্লেখ্য, মহিউদ্দিন আহমেদ সোমবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। 

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক

মহিউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, এমপি।

এক শোকবার্তায় মন্ত্রী বলেন, মহিউদ্দিন আহমেদ ছিলেন একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক ও সাহসী কূটনীতিক। মুক্তিযুদ্ধে মহিউদ্দিন আহমেদের অবদান অবিস্মরণীয়। মুক্তিযুদ্ধের একজন অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধা তিনি। বিশেষ করে, ১৯৭১ সালে লন্ডনের ট্রাফালগার স্কয়ারে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে এক সমাবেশে সরকারি চাকরির মায়া ত্যাগ করে মহিউদ্দিন আহমেদ পাকিস্তানের পক্ষত্যাগের সাহসী ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং ইউরোপে তিনিই প্রথম পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করা বাংলাদেশি কূটনীতিক। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাবেক কূটনীতিক মহিউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে দেশ এক অমূল্য সম্পদ-ব্যক্তিকে হারালো। 

তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর শোক

মহিউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, এমপি।

এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ইউরোপে পাকিস্তান দূতাবাসগুলোতে কর্মরত বাঙালি কূটনীতিবিদদের মধ্যে মহিউদ্দিন আহমেদ প্রথম বাঙালি কূটনীতিবিদ হিসেবে লন্ডনের পাকিস্তান হাইকমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারির পদ ছেড়ে দিয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করেছেন।